আদম ব্যবসায়ী মিন্টু চক্রের প্রত্যারণার ফাঁদে সর্বহারা দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ

Share to Social network.
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

দেশের আলোচিত আদম ব্যবসায়ী -মিজানুর রহমান মিজান ওরফে মিন্টু । সংঘবদ্ধ হয়ে বিদেশ পাঠানোর নাম করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবল্পিতভাবে অর্থ  হাতিয়ে নেওয়াই হচ্ছে তাদের কাজ।  মিন্টু চক্রের আদম ব্যবসায়ী দালালরা দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক বেকার যুবক ও যুবতী দেরকে বিদেশে পাঠাবার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এবং তাদের পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ঢাকা বাড্ডা, কেরানীগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চক্রের লোকজন বিভিন্ন কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিয়ে সেই স্থান থেকে কেটে পরে এবং নতুন স্থানে পুনরায় তাদের কার্য ক্রম পরিচালনা শুরু করে।

এই চক্র দ্বারা প্রতারনার স্বীকার এক সূত্র থেকে  জানাযায়- প্রতারক মিন্টুর গ্রামের বাড়ী যশোর জেলার রেলগেট এলাকায় ।তার পিতার নাম মোঃ আবদুল কালাম। মিন্টু চক্রটি মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েই পলাতক হয়ে যায় তবে কেউ তা সন্ধান পেয়ে গেলে তার ওপর হয়রানী, মারধার ও হামলা-মামলা চালায় এই চক্রাটি।  সম্প্রতী কেরানীগঞ্জের স্বাধীন হাসান কাকন মুন্সী জানান- আমাকে রোমানিয়া পাঠানোর নাম করে ষ্টাম্পে লিখিত ও স্বাক্ষর দিয়ে  ৫০ হাজার টাকা নেয়, পরে কাজ হয়ে গেছে বলে কোন ডকুমেন্টস ছাড়াই আরো মোটা অংকের টাকা নেয়। মিন্টু চক্রটি শুধু ঢাকার জিঞ্জিরা থেকেই বিদেশ নেওয়ার কথা বলে ১৫ লক্ষ এর বেশী টাকা প্রতারনা করে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখা যায় সোনালী ব্যাংক লিঃ  হিসাব নং ২৩২৮১০০০১০৫২৬ , হিসাবের নাম রওশন আরা মিজান, রেলগেট, যশোর শাখায় ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ইং ৫০ হাজার টাকা জমা দেন ভূক্তভোগী জেবু আক্তার, একই হিসাব নম্বরে ১৬ ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং ১ লক্ষ টাকা জমা দেন প্রতারনার স্বীকার এক ভূক্তভোগী,  একই হিসাব নম্বরে ৯ ই সেপ্টেম্বর ৫০ হাজার টাকা, একই ব্যাংক এ্যাকাউন্টে ১৮ ই ডিসেম্বর ২০১৯ ইং ৩ লক্ষ একশত পনের টাকা জমা দেওয়া হয়। এছাড়া সাইথইষ্ট ব্যাংক লিঃ চেক নং ৩৮০৪৯৮৪ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় এই চক্রটিকে। এছাড়া ষ্টাম্প নং কঅ ৭৪৭৭৫৩৭ এর মাধ্যমে লিখিত দিয়ে রোমানিয়া পাঠানোর নাম করে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় প্রতারক চক্রটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানায় -মিন্টু চক্রের বিরুদ্ধে  প্রশাসন ও গোয়েন্দা নজরদারী শুরু হলে নারী পাচারের মত ঘটনারও প্রকাশ পাবে। সরকারের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে নিংশ্ব হবে আরো শত শত পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *