ধনীদের আর কত ছাড় দেওয়া হবে, প্রশ্ন মেননের

Share to Social network.
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সম্পদ ও মুনাফার ওপর করারোপ না করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ক্ষমতাসীন দলের জোটভুক্ত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি। তিনি বলেন, ‘এদেশে ধনীদের আর কত ছাড় দেওয়া হবে।’ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে পার্টির পক্ষ থেকে পাঠানো প্রাথমিক বাজেট-প্রতিক্রিয়ায় রাশেদ খান মেনন এ প্রশ্ন তোলেন।
প্রবৃদ্ধিকে মানুষের জীবনের ওপরে স্থান দেওয়া সঠিক নয় উল্লেখ করে মেনন বলেন, উন্নয়ন ছয় মাস এক বছরের জন্য থেমে থাকতে পারে, কিন্তু জীবন এক লহমার জন্য থেমে থাকতে পারে না। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেলেও এর ৩৫ ভাগ চলে যায় সরকারি কর্মচারীদের পেনশনে। চলতি বছরে বাজেটে ব্যাংকিং খাত সংস্কার, সার্বজনীন পেনশন স্কিমের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবারের বাজেটে তা অনুপস্থিত বলে জানান রাশেদ খান মেনন।
তিনি প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্যাকেজসমূহ যেখানে ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হবে তখন এই ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত টিকিয়ে রেখে সেটা কিভাবে সম্ভব।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হলেও, অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাবনা এখনও প্রবৃদ্ধিকেন্দ্রীক। ইতোমধ্যেই চলতি বছরের প্রবৃদ্ধির হিসাব ৫.২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।
কোভিড আক্রান্ত দেশ ও বিশ্বের অর্থনীতির নীতির পরিস্থিতিতে ৮.২% প্রবৃদ্ধি কতখানি বাস্তবসম্মত, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানান রাশেদ খান। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও এটাকে নিতান্তই অপ্রতুল এবং এখনও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জিডিপির অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন বলে অবহিত করেন মেনন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে গবেষণার জন্য ১০০ কোটি টাকাও অপ্রতুল। এখন যখন কোভিড মোকাবিলায় আরও হাসপাতাল প্রয়োজন সেখানে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বসিয়ে রেখে এবং বেসরকারি খাতের মুনাফার কাছে ছেড়ে দিয়ে সেটা কী সম্ভব?
তিনি কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং যান্ত্রিককরণের ক্ষেত্রে সমবায়ী মালিকানা প্রবর্তনের কথা বলেন।

সুত্র: বাংলা ট্রাইবুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *