বাগেরহাটে চাঁদা না দেওয়ায়, একাধিক মিথ্যা মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

Share to Social network.
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
বাগেরহাটে চাঁদা না দেওয়ায়, একাধিক মিথ্যা মামলায় অন্তর্ভূক্ত করে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাসূত্রে যানাযায়- মোঃ মাহাবুব হোসেন, পিতা- মোঃ আমির হোসেন, ঠিকানা- সাং বিধানসাগর, পোষ্ট- বানিয়াখালী, থানা- শরনখোলা, জেলা- বাগেরহাট এর ছোট ভাই এম কামাল হোসেন ইতালী প্রবাসী বাংলাদেশী একজন ব্যবসায়ী এবং সমাজকর্মী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার লক্ষে প্রবাসী এম কামাল হোসেনের নিকট ৫ লক্ষ টাকা ধার চায় স্থানীয় প্রভাবশালী গ্রæপ ১. বারেক খান, পিতা- রুস্তম খান, ২. জিয়াউল হক তালুকদার, (শরনখোলা থানার দাদাল), পিতা- মৃত: মোতাহার তালুকদার, সাং নলবুনিয়া, পোষ্ট- নলবুনিয়া, থানা- শরনখোলা, জেলা- বাগেরহাট, ৩. পলটু আকন (৩৫), পিতা- মন্নাপ আকন, ঠিকানা- সাং বিধানসাগর, পোষ্ট- বানিয়াখালী, থানা- শরনখোলা, জেলা- বাগেরহাট, ৪. আবু বকর হাওলাদার (৪৬), পিতা- সিরাজ হাওলাদার, সাং বিধানসাগর, পোষ্ট- বানিয়াখালী, থানা- শরনখোলা, জেলা- বাগেরহাট প্রমুখ। মাহবুব হোসেন জানান- টাকা ধারের বিষয়টি এক পর্যায়ে চাঁদা হিসেবে দাবী করে এবং না দিলে মিথ্যা মামলা-হামলা দিয়ে হয়রানী করার হুমকী দেওয়া হয়েছে বলে জানান এম কামাল হোসেন। তিনি আরো জানান- বারেক খান বিগত বহু বছর পূর্বের মিমাংসিত লেনদেনের তথ্য ভুলভাবে তুলে ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে হয়রানী ও সম্মানহানী করছে।

ভুক্তভোগী এম কামাল হোসেনের বড় ভাই মাহবুব হোসেন জানান- আমার নামে বিভিন্ন থানায় অসংখ্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রশাসনের নিকট মিথ্যে তথ্য তুলে ধরে হয়রানী করা হচ্ছে। উক্ত ব্যক্তিরা আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে শরনখোলা থানার মামলা নং ০৭-১৩৫, একই থানার মামলা নং ১৩-১৪১, একই থানার মামলা নং ১৬-১৪৪ সহ আরো অসংখ্য মামলায় আমাকে আসামী করা হয়েছে। ঘটনা বিষয়ে অভিযুক্ত বারেক খান গনমাধ্যমকে জানান- চাঁদাবাজি নয়, আমি এম কামালের নিকট টাকা পাই, আমার নিকট তথ্যপ্রমান আছে। এই বিষয়ে আমি পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আমি কোন মামলা দেইনি, মামলা দিয়েছে জিয়াউল হক তালুকদার।

এবিষয়ে শরনখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গনমাধ্যমকে জানান- থানার চলমান মামলায় মোঃ মাহাবুব হোসেনকে জড়ানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্তপূর্বক থানা পুলিশ জানতে পেরে উক্ত ব্যক্তির নাম ইতোমধ্যে মামলা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এম কামাল হোসেন বলেন- থানার কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে উক্ত ব্যক্তি মামলাগুলো দায়ের করেছে। প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান ভূক্তভোগী মোঃ মাহাবুব হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *