Share to Social network.
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ রবিউল ইসলাম, ভাংগা ফরিদপুর প্রতিনিধি।
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা বাজারে এক রাতে ১৫টি দোকানে দুঃসাহসিক চুরির
ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ফাইভ স্টার মার্কেটের ১৪টি এবং বাজারের প্রধান সড়কের
একটি দোকান ঘরে এই চুরি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাজারের
ব্যবসায়ীরা। গত রোববার রাতে দোকান ঘরের সামনের সারটার ভেঙ্গে সংঘবদ্ধ চোরের
দল নগদ টাঁকা ও দোকানের মালামাল চুরি করেছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা
জানায়।

ফাইভ স্টার মার্কেটের পাইকারী শার্ট ও পাঞ্জাবী ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম
জানান, প্রতিদিনের মত ব্যবসায়ীরা দোকান করার পর রাতে নিজেদের ঘরে ফিরেন।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা দোকানে এসে দেখেন
প্রতিটি সাটার ভাঙ্গা। এসময় গোটা মার্কেট এলাকায় ঘটনাটি জানাজানি
হওয়ার পর সেখানে ভীর জমে তোলেন অন্যান্যে ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের
ভাষ্য মতামত দিয়ে তিনি আরও জানান,বাজারের কসমেটিক, রেডিমেনট কাপড়,
বিকাশ দোকান, ইলেক্ট্রনিকসহ বিভিন্ন দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ টাঁকা ও
বিভিন্ন মালামাল সামগ্রীসহ প্রায় ৫ লক্ষাধীক টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে।
এই বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা ভাঙ্গা বাজার বনিক সমিতির সাধারণ
স¤পাদক আবু জাফর মুন্সীকে জানালে তিনি সরজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের
দোকান ঘর পরিদর্শন করেন। তিনি আরও জানান, চুরির ঘটনাটি থানায় অভিযোগ
করতে গেলে ডিউটি অফিসার ব্যবসায়ীদের জানান, ভাঙ্গার একটি গ্রামে জোড়া
খুনের ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ভাঙ্গার এএসপি সার্কেল স্যার দুজনে ঘটনা
স্থলে গেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, এর আগেও ভাঙ্গা বাজারের
বিভিন্ন দোকানে চুরি সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু বাজারে পাহাদার থাকার পরেও
এভাবে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মাঝে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তার মতে
থানার নিকটের কাছে এই চুরির ঘটনা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়া আর কিছু
নয়। তবে এসব চুরির ঘটনা রহস্যজনক বলে তিনি মনে করেন।
ভাঙ্গা বাজার বনিক সমিতির সাধারণ স¤পাদক আবু জাফর মুন্সী জানায়
ভাঙ্গা বাজারের অনেক দোকান ঘর। কিন্তু পাহারা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় এলাকার
ছিচকে চোরের দল প্রায় উৎপাত করে থাকে। বাজার বণিক সমিতির পক্ষ থেকে
বিশেষভাবে প্রতিটি দোকান ঘরের সুরক্ষিত নিরাপত্তার জন্য আমাদের কোন
গাফলতি নেই বলে তিনি দাবী করেন।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা হলেন, মিজানুর রহ্মানের তালুকদার গারমেনট, কাওসার
মোল্লার খেলাগর, লিয়াকত হোসেনের নুসরাত ফ্যাশন, আরমান হোসেনের মদিনা

গারমেনট, আবুল হোসেনের সিফাত ফ্যাশন, সহিদুল ইসলামের আনিশা
গারমেনট,লিটন মিয়ার লেজ বিতান, সোহাগ মিয়ার কসমেটিক, হাসিবুল
হাসানের তাসকিয়া সুজ, রবিন মিয়ার খান গারমেনট, সঞ্জয় দাসের দাদা
গারমেনট, কাঞ্চন শেখের মায়ের দোয়া কসমেটিক, টুটুল শেখের ভাই ভাই
কসমেটিক, বুলবুল মিয়ার ন্যাশনাল কসমেটিক ও সোহেল মিয়ার বিকাশের দোকান
ঘরে চুরি সংঘটিত হয়েছে।