ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা, লাভবান মধ্যস্বত্বভোগীরা

0
58

দূরত্ব মাত্র চল্লিশ কিলোমিটার। আর এই দুরত্বই বাড়িয়ে দেয় দাম। চট্টগ্রামের দোহাজারি বাজার থেকে আশপাশের শহরে এসে দাম বেড়ে যায় সবজির। যার চাপ পড়ছে ভোক্তাদের উপর।

এক্ষেত্রে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হলেও খুব একটা সুবিধা মেলেনা কৃষকদের। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কঠোর তদারকির দাবি, বাজার পর্যবেক্ষকদের।

সকাল থেকে সন্ধ্যা, ফসলের মাঠে ব্যস্ত কৃষক। দিনভর এই খাটুনির লক্ষ্য জীবিকার চাকা সচল রাখা। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই ফসল উৎপাদনে ব্যস্ত যে চাষী, তার ভাগ্যে কতটা জোটে ফসলের ন্যায্য দাম?

এই বঞ্চনার প্রমাণ মেলে মাঠপর্যায়ে। যেমন, চট্টগ্রামের অন্যতম বড় সবজির বাজার দোহাজারী। যেখানে ফুলকপি প্রতিটি গড়ে ৩০ টাকা, বাধাকপি ১৫ টাকা, বেগুন  কেজিপ্রতি  ২০ থেকে ২২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শীম ২২ থেকে ২৫ টাকা, শীমের বিচি ৭০ টাকা এবং বরবটি বিক্রি হচ্ছে ত্রিশ টাকা কেজিতে।

কিন্তু, দোহাজারীতে কেনা এই সবজি দ্বিগুন বা তারও বেশী দাম হয়ে যায় শহরে এসে। নগরীর কাজীর দেউরি বাজারে দেখা গেছে, ফুলকপি প্রতি পিস পঞ্চাশ থেকে পঞ্চান্ন, বাধাকপি পয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ, শীম চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকা কেজি, বরবটি ৮০ টাকা কেজি এবং বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।

কৃষক বেশী দাম পাচ্ছেনা। আবার ক্রেতারা পাচ্ছেনা ন্যায্য দামে। অথচ, মাঝখানের বাড়তি টাকা যাচ্ছে মধ্যস্বত্তভোগীদের পকেটে। এ অবস্থায় সব পর্যায়ে কঠোর নজরদারি চেয়েছেন বাজার পর্যবেক্ষকরা। সবজি উৎপাদনে কৃষককে উৎসাহিত করতে বাজার ব্যবস্থাকে কৃষকবান্ধব করার ওপরও জোর দিয়েছেন এই বিশ্লেষক।

LEAVE A REPLY