পায়রার ভাঙনে দিশেহারা তেতুলবাড়ীয়ার বাসিন্দারা

0
70

ইমরান হোসাইন, বরগুনা  প্রতিনিধি: সারা বছরই পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে সামান্য পানি বাড়লেই প্লাবিত হয় গ্রামের পর গ্রাম। বন্ধ হয়ে যায় চলা চল, ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঘরের আসবাবপত্র। নষ্ট হয় অনেক ফসল, বছরের পর বছর এমন ভোগান্তিতে কাটান বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার তেতুলবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

জানা যায়, ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে তালতলী উপজেলার তেতুলবাড়িয়া বাঁধটির বেশকিছু স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। এরপর নদীর অনবরত ভাঙন বাঁধটিকে আরো দুর্বল করতে থাকে। প্রতি মাসে অ্যমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে যায়। এসময় বাড়িঘর রাস্তাঘাট সবকিছু জোয়ারের পানির নিচে তলিয়ে যায়। এমন অবস্থা চলতে থাকায় বাঁধের পাশে থাকা অনেক পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এছাড়া জমির ফসল লবন পানিতে তলিয়ে ‍যাওয়ায় ভাল ফলন পাচ্ছেন না কৃষকরা।
ইত্তেফাকের তালতলি উপজেলা সাংবাদিক, আরিফ হোসেন (ফসল) প্রানের বাংলাদেশ’ কে জানান, একটু জোয়ারের পানি অথবা বৃষ্টি  হলেই পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায় এসব এলাকা। এদিকে ভাঙ্গনের কারনে নষ্ট হচ্ছে অনেক ফসলি জমি, তা ছারা লবন পানির কারনে কোন ফসল আবাদ হচ্ছে না এ এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে মাঝে মধ্যে বাঁধটি মেরামতের কাজ শুরু করলেও সব কাজ শেষ করা হয় না । সেই কাজের নামে চলে লুটপাট। এখন এটি নতুন করে মেরামত না হলে আমাদের দুর্ভগের শেষ থাকবেনা।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মশিউর রহমান  জানান, স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য যে পরিমাণ অর্থ দরকার তেমন বরাদ্দ আসছে না। বেড়িবাঁধটি নতুন করে মেরামত ছাড়া বিকল্প নেই।

LEAVE A REPLY