ডিসেম্বর এই বিজয়ের দিনে……………

0
107

৪৬ বছরের ক্রান্তিলগ্নে -৭১ ও ১৭ এর মধ্যে মিল খুঁজে পাচ্ছি। হলেও হতে পারে…………….
পরলোকগত বাবার চিঠি, মায়ের আকূল অপেক্ষা একজন সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের সনদ পাবার আহাজারি নিয়ে আমি ধর্ন্যা ধরেছি দ্বারে দ্বারে, এখন যেহেতু স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতার আসীন, বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর তনয়া তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, টেকনাফ হতে তেতুলিয়া শুধু নয় দক্ষিন বাংলার বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত উন্নয়নের জোয়ারের জয় জয় কারের শ্লোগান তুলেছেন। ঘুম ভাঙ্গিয়েছেন নির্যাতিত-নিপীড়িত, অবহেলিত, সনদ বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের। মরনোত্তর আশ্বাস পেয়েছেন এবার তারা সবাই তাদের মহান নেতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের। তারই তনয়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাবেন তাদের কাঙ্খিত স্বীকৃতি বা সনদ।
কিন্তু……………………
সেই সনদ কিংবা স্বীকৃতি উপজেলা, জেলা কর্তৃক যাচাই-বাছাই হয়ে এখন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) স্কাউট ভবনে ফাইল বন্দি হয়ে থাকবে ? — না বাস্তবায়ন ঘটবে এই মানুষের স্বপ্ন, যেই মানুষ গুলো আজও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি চারন করে অশ্রু ঝড়ায়।
আমার পরিচয় আমি একজন সনদ বঞ্চিত পিতার সন্তান, বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক (কেন্দ্রীয়), দৈনিক জরুরী সংবাদ পত্রিকার ব্যুরো চীফ অফ বরিশাল। তাই আজ আমি শুধু বরিশালের হয়ে নয়, সারা বাংলাদেশের যাচাই-বাছাই কৃত সকল মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে কড়োজোড় মিনতি করছি জননেত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী তথা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা তথা স্বপ্ন বাস্তবায়নের আশু পদক্ষেপ নিয়ে পরলোকগত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত তথা এখনও যারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছেন তাদের চোখের জল মুছিয়ে দিবার।
সংকলনে :
মজুমদার মোস্তাফিজ মনির
ব্যুরো চীফ অব বরিশাল, দৈনিক জরুরী সংবাদ
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক (কেন্দ্রীয়)
বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ।

LEAVE A REPLY