মুলাদীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

0
23

মুলাদী সংবাদদাতা :

মুলাদী (বরিশাল) উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের হালিম ভান্ডারির মেয়ে রাহিমা (১৫) কে চরসফিপুর গ্রামের হাবিব ফরাজীর পুত্রের সহিত বিবাহের আয়োজন করে গত ২০ ডিসেম্বর দুপরে। ডিএসবি, এস আই জামাল ও বোয়ালিয়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সংবাদ পাইয়া ফাড়ির এ.এস.আই আমিনুল ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিবাহের আয়োজন দেখে বন্ধ করে দেয়। তিনি চলে আসলে স্থানীয় মুজাহার সরদারসহ কয়েকজন বখাটেরা পুনরায় বিবাহের আয়োজন করে। এ.এস.আই আমিনুল সংবাদ পেয়ে প্রতিরোধ করে। মুজাহার সরদারের পরিকল্পনায় রাতে ছেলের বাড়িতে গিয়ে রাহিমার বিবাহ পরাইয়া বিবাহের কথা গোপন রাখে বলে জানায় স্থানীয় লোক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনে। তারা আরো জানায়, বিবাহের কথা গোপন রাখিয়া পুলিশ ও স্থানীয় লোক প্রতিরোধে সহযোগিতা কারীদেরকে মিথ্যা মামলা ও বিবিধ অজুহাত দিয়ে হয়রানী করার পরামর্শ দিয়েছে মুজাহার সরদার ও তার সঙ্গীয় বখাটেরা। হালিম ভান্ডারির আরও এক মেয়ে ইতিপূর্বে বাল্য বিবাহ দিয়েছে। আরেক সংবাদে জানা গেছে, একই ইউনিয়নের উত্তর পাতারচর গ্রামের লাল মিয়া সিকদারের মেয়ে তামান্না সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে বাল্য বিবাহ দিয়েছে শুনে সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ জানায় স্থানীয় লোকজন। সংবাদ পাইয়া এস.আই মিজানুর রহমান ঘটনা স্থানে ২১ ডিসেম্বর গেলে মেয়ে ও মেয়ের মাসহ পরিবারের লোকজনে পালিয়ে যায় বলে জানাগেছে। নিকটতম বাড়ীর ফেরেস্তালী সিকদার বাড়ীতেও বাল্যবিবাহ হয়েছে বলে লোকজন বলাবলি করেছে। স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীদের ভয়ে তামান্না ও ফেরেস্তালী সিকদারের বাড়ীতে বাল্য বিবাহের কথা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনে জানায়, যথাযথ কতৃপক্ষ তদন্ত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে মূল ঘটনাটি জানতে পারবে ।

LEAVE A REPLY