রুবিনা হতাশ, কাঁদছেন স্বজনেরা

0
51

রুবিনার মা রহিমা খাতুন জানান, রুবিনা সম্মান শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি নিজে গ্রামের বাড়িতে হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালেন। কখনো কখনো আত্মীয়স্বজনেরা টাকাপয়সা দিয়েছেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া রুবিনা বেসরকারি ব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া বৃত্তির টাকা আর টিউশনি করে পড়ালেখা চালিয়ে নিচ্ছিলেন। বৃত্তির টাকাটা সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যায়। অর্থকষ্টে পড়েছিলেন। শারীরিক কিছু সমস্যাও ছিল। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন। ঘটনার দিন ক্লাস শেষ না করেই
পঞ্চগড়ের দণ্ডপাল ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ির পথ ধরেছিলেন। বাড়ি যাওয়া হয়নি, রহিমা বেগমই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পথ ধরেছেন।

দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সুরুত জামাল জানান, রুবিনার খবর শুনে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মতো এলাকার লোকজনও কষ্ট পাচ্ছে। রুবিনার দিকে তাকিয়ে ছিল তাঁর পরিবার। পরিবারের পক্ষে রুবিনার উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার চালানো সম্ভব না। তিনি বিত্তবানদের রুবিনার দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানান।

LEAVE A REPLY