মুলাদীতে প্রতারক সোহাগ তালুকদার কর্তৃক প্রতারনার শিকার অসহায় খলীল তালুকদার

0
26

মুলাদী প্রতিনিধি :
মুলাদী (বরিশাল) উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের খলীল তালুকদারকে ভিটা-বাড়ী দখল ও মিথ্যা মামলায় জড়াইয়া হয়রানী সহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতির পায়তারা করছে প্রতারক সোহাগ তালুকদার ও তার দলবলের লোকজন।

খলীল তালূকদারের পুত্র জুয়েল আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, অনুমান ৪০ বছর পূর্বে তার পিতা বোয়ালিয়া মৌজায় ৮২৩ খতিয়ানের ৯১৯ দাগে জমি করিম হাওলাদার, কাদের মৃধা গংদের নিকট হইতে ৩০ হাজার টাকায় ক্রয় করে ঘর-বাড়ি করিয়া বসবাস করে। কিন্তু করিম হাওলাদার, কাদের মৃধা গংদের নিকট খলীল তালুকদার জমির দলিল চাইলে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। কাদের মৃধা গংদের মৃত্যুর পরে মোস্তফা মৃধার পুত্র সোনা মৃধা জমির কবালা দিবে বলে জহিরুল ইসলাম তারা মিয়ার উপস্থিতিতে খলীল তালুকদারের বড় ছেলে খোরশেদ তালুকদারের কাছ থেকে ৮ হাজার ৫ শত টাকা নেয়।

অনুমান ১৫ বছর পূর্বে খোরশেদ তালুকদার ব্যাবসায় লোকসান হওয়ায় অসহায় অবস্থায় পরিবারবর্গ সহ ঢাকায় গিয়ে বসবাস করে। তার কয়েকবছর পরে ভিটাবাড়ি খালি পেয়ে সেই সুযোগে প্রতারক সোহাগ তালুকদার তার দলের লোকজনকে নিয়ে জমি দখল করতে আসে। তখন সে জমির মালিকানা কাগজ পত্র আছে বলে দাবী করে পূনরায় জমির মালিক সেজে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় খলীল তালুকদার ও তার ছেলেদের নিকট থেকে। জমি কবালা চাইলে প্রতারক সোহাগ দলিল না দিয়ে প্রতারনা করে টাকা আত্মসাৎ করে। খলীল তালুকদার ও তার ছেলেরা জানতে পারে উক্ত জমির মূল মালিক চর-আলিমাবাদ গ্রামের হাবিবুর রহমান খান। এখন তারা জমির মূল মালিকের কাছ থেকেই জমি কবালা করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং প্রতারকদের নিকট থেকে তাদের দেওয়া টাকা ফেরত চাইলে উল্টো খলীল তালুকদারের পরিবারকে মিথ্যা মামলা সহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতির পায়তারা করছে প্রতারক চক্র।

এ বিষয়ে সোহাগ তালুকদারের নিকট মোবাইল ফোনে উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি টাকা নেইনি। জহিরুল ইসলাম তারা মিয়ার নিকট সোনা মিয়া খোরশেদ তালুকদারের নিকট থেকে টাকা নিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি টাকা নেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারনে জমি কবালা দিতে পারেনি বলে জানান। নিরাপত্তার অভাবে খলীল তালুকদার পরিবার ঐ এলাকায় আসতে সাহস পাচ্ছে না বলে জানান আজমীর, জুয়েল ও রুবেল তালুকদার।

প্রতারকদের নিকট হইতে টাকা ফেরত পাওয়া সহ ঘর-বাড়ি ও জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন খলিল তালুকদার পরিবার।

স্থানীয় লোক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনে জানান, যথাযথা কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলে ঘটনার মূল রহস্য বেড়িয়ে আসবে।

LEAVE A REPLY