ন্যায় বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারে ঘুরছে দুই বোন, এত অন্যায়ের খুটির জোড় কোথায়?

0
40

নিজস্ব সংবাদাতা:
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আপন ভাইদের কর্তৃক প্রহসনের স্বীকার হচ্ছেন ছোট দুই বোন সুলতানা রাজিয়া এবং দিলরুবা সুলতানা, উভয় পিতা- মৃত. সানাউল্লাহ, ঠিকানা- ৩৬/১, পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪।। ঘটনায় অন্যায়ভাবে জড়িয়ে হয়রানী করা হচ্ছে সুলতানা রাজিয়ার স্বামী মো: শাহীনুল ইসলামকেও। ঘটনাসুত্রে জানা যায়- পিতা-মাতার অবর্তমানে ওয়ািরশী সম্পত্তি বিগত ২০১৫ইং সালে পারিবারিক জমিজমা বন্টন হওয়া সত্ত্বেও ২ বছর পরে সম্পত্তি জবর-দখল এবং আত্মসাত করার লক্ষ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মো: শাহীনুল ইসলাম কে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করিয়ে বিগত ২৫/০৩/২০১৮ইং তারিখে ১. সালেহ, ২. মো. সালেম, ৩. মো. সাফাউল্লাহ বাবর সহ ১০/১৫ জন অজ্ঞাত ডাকাত প্রকৃতির লোক নিয়ে বোনদের বন্টননামায় প্রাপ্ত অংশে বসবাসকৃত বাসা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য ছোট বোন দিলরুবা সুলতানা ও সুলতানা রাজিয়ার ২ বছরের শিশু সন্তানকে জিম্মি ও অত্যাচর করিয়া হামলা ও লুটপাট করে বলে জানা যায়। এঘটনায় সুলতানা রাজিয়া যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করিতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আনিছুর রহমান অনেক সত্য ঘটনা মামলায় অন্তর্ভূক্ত না করে সান্ত্বনাস্বরুপ একটি মামলা দায়ের করেন বলে জানান সুলতানা রাজিয়া। যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নং ১০৮(৩) ১৮, তাং ২৫/০৩/২০১৮ইং। তিনি আরো অভিযোগ করেন যে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই সুলতান আজম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামীপক্ষের লোকজন এবং লুটকৃত মামলামাল উদ্ধার করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কোন প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। এছাড়া ঘটনার এতদিন পরেও মালামাল উদ্ধার করা তো দূরের কথা এখন পর্যন্ত মামলার চার্জ সিটও দেননি এখনও, আমি মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে গেলে দেই দিচ্ছি বলে তদন্ত কর্মকর্তা তালবাহনা করে যাচ্ছে, আমি পরোক্ষভাবে জানতে পারলাম যে মামলার ৩ নং অাসামী মো: সালেম এর শ্বশুর পক্ষের এক আত্মীয় পুলিশের এক উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা জনাব শোয়েব রিয়াজ আলম, অতি: ডিআইজি (ল্যান্ড এন্ড এষ্টেট), বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা এবিষয়ে তাদের হস্তক্ষেপ করেন, যার ফলে বার বার স্থানীয় প্রশাসনের স্বরনাপন্ন হয়েও আমরা ন্যায় বিচার পাচ্ছিনা, এছাড়া আসামীরা আমাদের ৩৭-৩৮ নং দয়াগঞ্জ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা ঠিকানায় বন্টননামায় প্রাপ্ত অংশে জোড়পুর্বক দখল করার চেষ্টা করছে, আমি বিষয়টি মাননীয় উপ-পুলিশ কমিশনার (ওয়ারী জোন) কে বিগত ১২/০৯/২০১৭ইং তারিখে লিখিতভাবে অভিযোগ করিলে তিনি বিষয়টি এডিসি (ওয়ারী জোন) জনাব নুরুল আমিনকে দায়িত্ব দেন। ওয়ারী জোনের এডিসি সাহেব উভয়পক্ষকে িচঠি দিয়েও বিবাদীপক্ষকে হাজির করতে পারেননি। এভাবে তালবাহনা করায়, বিষয়টি পুনারায় উপ-পুলিশ কমিশনারকে অবগত করিলে তিনি দলিল অনুয়ায়ী আমাদের প্রাপ্য দেওয়ার জন্য গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন, কিন্তুু অদ্যাবদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাদের কোন প্রকার সহযোগিতা না করে তালবাহনা করে যাচ্ছে, তাই বর্তমানে আমরা বাড়ীর ভাড়া আনতে গেলে আসামীরা আমাদের প্রতিনিয়ত ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ যাত্রাবাড়ী থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ১০৮(৩) ১৮ মামলািট তুলে নেওয়ার জন্য হুমকী দিয়ে আসছে বলে জানান তিনি। এবিষয়ে ছোট বোন দিলরুবা সুলতানার সাথে কথা বললে তিনি জানান- আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর আমি্ এতিম, অসহায় ও অবিবাহিতা নিরুপায় নারী, উক্ত ভাইয়েরা অামার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আমাকে বাড়ী ছাড়ার েচষ্টা করছে, বর্তমানে আমরা দুই বোন অসহাায় অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এবিষয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের িনকট সুবিচার চাইছেন অবহেলিত দুই বোন।

LEAVE A REPLY