আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক) ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে শিল্প মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ, সব্বোর্চ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস

0
209

নিজস্ব সংবাদাতা:
জাতিসংঘের সহযোগী সংগঠন আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক) ফাউন্ডেশনের িবরুদ্ধে ন্যাশনাল প্রোক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) শিল্প মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন মো: উজ্জল হোসেন নামে অধিভূক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ৩য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয় আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক) ফাউন্ডেশন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ইতিপূর্বে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন করেছে। এটি সম্পুন্ন বিনামুল্যে সরকারী প্রশিক্ষণ, কিন্তুু আইন সহায়তা কেন্দ্র সরকারী এই প্রশিক্ষনের ফায়দা লুটে প্রশিক্ষণ ফি বাবদ সর্বনিম্ন ৬০০ টাকা থেকে মোট অংকের টাকা প্রকাশ্যে গ্রহন করছে। এবিষয়ে অভিযোগকারী মো: উজ্জল হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন- ২৭/০৮/২০১৮ইং তারিখে স্ব-শরীরে অভিযোগপত্র দাখিল করেছি এবং সংস্থাটির দুর্নীতির বিষয়ে উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা যুগ্ম পরিচালক(চলতি দ:) কে বিস্তারিত খুলে বলেছি, তিনি প্রশিক্ষণ প্রদানকারী কর্মকর্তা সিনি: রিসার্চ অফিসার মোজাম্মেল হককে ডেকে আমার সামনেই এবিষয়ে বিস্তারিত জেনেছেন, এনপিও এর কোন কর্মকর্তা এর সাথে জরিত আছেন কিনা সে বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এবং জড়িত থাকলে ব্যবস্থা গ্রহননেরও কথা বলেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এনপিও এর কোন কর্মকর্তাকে জড়িত থাকতে দেখিনি, আমি সেটাই যুগ্ম পরিচালক সাহেবকে খুলে বলেছি যে, এতে এনপিও কোন কর্মকর্তার হাত নেই, তারা শুধু সরকারী প্রশিক্ষনের সেবা নিরলসভাবে শ্রম দিয়ে উতপাদন নয়, বরং উতপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নতুন উদ্যোক্তা সুষ্টিতে এনপিও , শিল্প মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা প্রশংসনীয় অবদান রেখেছেন, এজন্য তখন উপস্থিত উদ্ধোতন কর্মকর্তাদের আমি ব্যক্তিগতভাবেও ধন্যবাদ জানিয়েছি। আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক) ফাউন্ডেশন এনপিও প্রশিক্ষিত ফোরাম নামে যে প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তার বৈধতা বা তাতে পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এনপিও এর অনুমতি বা স্বাক্ষর আছে িকনা তাও জানতে চেয়েছি। আইন সহায়তা কেন্দ্র প্রশিক্ষণের ফায়দা লুটে প্রশিক্ষণ ফি, ক্রেষ্ট ব্যবসা করে আসছে তাও বলেছি এবং অভিযোগে উল্লেখ করেছি। যুগ্ম পরিচালক সাহেব আমাকে আস্বাস দিয়েছেন যে, সরকারী এই প্রশিক্ষণে যদি তারা আর্থিক লেনদেনের প্রমান পায় এবং অভিযোগের সত্যতা পায় তাহলে সব্বোর্চ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেছেন কে বা কারা টাকা সংগ্রহ করেছেন তা তিনি দেখবেনন বলে জানান এবং আমার সামনেই সংগঠনটির িনবার্হী পরিচালক ড. সামসুল হক নিউটনকে ফোন করেন, কিন্তুু তিনি যুগ্ম পরিচালকের ফোন ধরেননি এবং আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক) ফাউন্ডেশনের পরিচালক- মো: মাহবুবুর রহমানের সাথে তার একাধিক মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়েছেন কিন্তুু তার নম্বর বন্ধ পেয়েছেন। আনসার ও ভিডিপি ব্যাংকের পরিচালক মাহবুবর রহমান কে ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করছেন এবং আমার জানা সত্বে মাহবুব সাহেব আর্থিক কোন লেনদেনের সাথে জড়িত নয় বলেও কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন বলেও প্রতিনিধিকে জানান মো: উজ্জল হোসেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে এনপিও, শিল্প মন্ত্রনালয়ে দাখিলকৃত সিল ও স্বাক্ষরিত রিসিভকপিসহ মিডিয়ার স্বরনাপন্ন হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

LEAVE A REPLY