একজন টিপু সুলতান ও মুলাদী-বাবুগঞ্জের উন্নয়ন

0
31

মোঃ এনামুল হক সজল সফিপুর,মুলাদী,বরিশাল।
মেধাবী, দক্ষ, ত্যাগী, যোগ্য, সৎ আর পরিশ্রমী একজন আদর্শবান নেতার সঠিক নেতৃত্বই একটি দেশ তথা একটি জাতিকে সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করে। কিন্তু সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পৌঁছানোর জন্য নেতার একটি সুন্দর ও একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা উচিত। অনেক রাজনৈতিক নেতাই নিজ এলাকায় এসে কিছু টাকা কিংবা বড় বড় রাজনৈতিক পদবী বা প্রশাসনিক ক্ষমতার বলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দরিদ্র সাধারণ জনগণকে ব্যবহার করে। বেশির ভাগ সময়ই দরিদ্র সরল মানুষদের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের ভোটে এমপি হয়ে সরকারি নানা রকম সুযোগ-সুবিধা প্রয়োগ করে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে বিশাল সম্পদের মালিক বনে যান। হয়ে যান ভিআইপি কিংবা সিআইপি। আবার কিছু কিছু মানবিক গুণাবলীর মানুষ রয়েছেন, যারা এদের থেকে ভিন্ন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রকৃতির মানুষ খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে তাঁরা যদি কোনো কারণে জনগণের ভোটে নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি হতে পারেন, তখন তাঁদের ধ্যান, জ্ঞান এবং পরিকল্পনা থাকে এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং মেরামত, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা,মন্দির, গির্জাসহ দরিদ্র অসহায় জনগণের সঠিক উন্নয়ন করা। তাঁদের মন মানসিকতা ভাল থাকায় সরকারি সম্পদ বা অর্থ লুটপাট করার কোনো পরিকল্পনা তাদের থাকে না। বরং সরকারি সাহায্যের পাশাপাশি নিজের উপার্জিত অর্থও জনগণের সেবায় নিয়োজিত করেন। আমার নির্বাচনী এলাকার বর্তমান সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান তেমনি একজন মানুষ। বরিশাল-৩ মুলাদী-বাবুগঞ্জ এলাকার বর্তমান সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতানের অভাবনীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডের কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য এই লিখা। আমরা সবাই জানি একজন মানুষ মহান হয়ে উঠে তার কৃতকর্মের মাধ্যমে। কিন্তু তার জন্য দরকার হয় বিধাতার রহমতের এবং মানুষের ভালবাসার। মায়ের গর্ভ হতে ভূমিষ্ট হওয়ার পর সারাজীবন কি কর্ম করলো এটাই তার ভালমন্দের বিচারের মাপকাঠি। তার জন্ম ভাল জায়গায় হোক কিংবা খারাপ জায়গায় হোক এটা দেখার বিষয় না। কথাই আছে “জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভাল”। যে কোন মানব সন্তান কর্ম দ্বারা ব্যাপকভাবে সুনামের অধিকারী হতে পারে আবার কর্ম দ্বারা ব্যাপকভাবে বদনামের অধিকারীও হতে পারে। এটাও সত্য প্রত্যেকটা লোকেরই ভালমন্দ উভয় কর্মই রয়েছে। সেক্ষেত্রে দেখতে হবে তার মন্দটা ইচ্ছেকৃত নাকি অনিচ্ছাকৃত কিংবা একজনের মন্দ করতে গিয়ে দশজনের উপকার হচ্ছে কিনা। 
কিছু কিছু গুণ বা ভাল কাজ মানুষকে আজীবন স্মরণীয় করে তুলে। আর তা বহমান থাকে মৃত্যুর পরেও অনাধিকাল পর্যন্ত। যুগ যুগ ধরে মানুষ তাকে স্মরণে রাখে ভাল কাজের জন্য। আর তার অবর্তমানে আক্ষেপ করে তাকে হারানোর জন্য। পাশাপাশি খুঁজে বেড়ায় মানবসেবক ঐ লোকটির মতো আর একজন গুণী মানুষকে। দুনিয়ার সবচাইতে সত্য কথা হচ্ছে মানব সেবা ছাড়া এই দুনিয়ার কোন মানুষ কোনকালেও মানুষের মনের ভালবাসা পায় নাই। এমনকি মানবসেবা না করলে আল্লাহর ভালবাসা পাবার কথাও চিন্তা করতে পারে না। এই সকল মানব সেবক আল্লাহর অশেষ রহমতে হঠাৎ করে দীর্ঘকাল পরপর একেক অঞ্চলে ভাগ্যগুণে আর্বিভুত হয়। এই সকল সমাজসেবক, জনদরদী মানুষগুলো এলাকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের আর্শিবাদ স্বরূপ আরোহন করে থাকে। তেমনি একজন মানুষ হলেন বরিশাল-৩ মুলাদী-বাবুগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার বর্তমান সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান।
অত্র জনপদের একজন নাগরিক হিসেবে এবং ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রমের একজন সুবিধাভোগী হিসেবে এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান উনার উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো সাধারণ জনগণকে তুলে ধরা নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেই আমার এই ক্ষুদ্র লিখা।
ব্যথিত হৃদয়ে ও ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে যে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন, মানবতার সেবামূলে যে জীবন অর্ঘ্য-রুপে নিত্য নিবেদিত, যে আর্ত, দারিদ্র,মলিন অসহায় মানুষের আশ্রয়, তাপিত প্রাণের প্রশান্তির শীতল বারি,চির উন্নত মম শির নিয়ে যিনি নিপীড়িত মেহনতি জনতার পাশে দাঁড়ান সহায়তার হাত নিয়ে,অল্প বয়সে যার মনের ভিতরে ইচ্ছা জাগে মানুষের সেবা ও কষ্ট লাঘব করবেন,তিনি আমাদের মুলাদী-বাবুগঞ্জের সর্বনন্দিত জননেতা এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান সংসদ সদস্য ১২১, বরিশাল-৩ মুলাদী- বাবুগঞ্জ। তিনি নদী মাতৃক বাংলার ছায়াঘেরা সবুজ অরণ্য বেষ্টিত বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার কায়েতমারা গ্রামে ১৯৬৭ সালের ৫ জানুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।
প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদের্শন আর অসংখ্য নদী-নালা খাল-বিল ও সবুজ বেষ্টনী ঘেরা সুজলা, সুফলা,শস্য শ্যামলা,সোনার বাংলার প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের অন্যতম মুলাদী-বাবুগঞ্জ। প্রকৃতির অকৃপণ দানে ঋদ্ধ, সংস্কৃতি ও সভ্যতার আলোকে পরিপুষ্ঠ এক, জ্ঞানের অনির্বাণ শিখায় প্রদীপ্ত আলোকময় এক মানব গোষ্ঠির বিকাশ ঘটেছে মুলাদী-বাবুগঞ্জে। প্রচুর মানব সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, অপরূপা মুলাদী-বাবুগঞ্জের রয়েছে অত্যন্ত সুসমৃদ্ধ ইতিহাস।
বরিশালের একটি আলোকিত জনপদের নাম মুলাদী-বাবুগঞ্জ। বরিশালের বুকে এক চিলতে রোদেলা আকাশ মুলাদী-বাবুগঞ্জ।বহমান উন্নয়নের স্রোতধারার ফলশ্রুতিতে দেশ-বিদেশের কাছে মুলাদী-বাবুগঞ্জের সুনাম দিন দিন ছড়িয়ে পড়েছে। মুলাদী-বাবুগঞ্জের এমপি জনাব এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান মহোদয়ের নির্দেশে মুলাদী-বাবুগঞ্জে যাঁর পরতে পরতে জন উন্নয়নমূখী কর্মকান্ডের ছোঁয়া দৃশ্যমান।অদূর ভবিষ্যত, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে মুলাদী-বাবুগঞ্জকে বাংলাদেশের কাছে একটি সৌন্দর্যের নগরীতে পরিণত করতে অগ্রসরমান।বরিশালের একটি নির্মল পরিবেশে এবং পরিচ্ছন্ন জনপদের নাম মুলাদী-বাবুগঞ্জ। উন্নয়নের উর্বর চারণভূমি হিসেবে মুলাদী-বাবুগঞ্জের নাম দিগন্তজুড়ে স্বীকৃত।চোখ ধাঁধানো বাহারীসব কর্মকান্ডের জন্য মুলাদী-বাবুগঞ্জের খ্যাতি দিন দিন বেড়েই চলছে।তীরঘেঁষা প্রকৃতির উদার আলিঙ্গন এই অববাহিকা মুলাদী-বাবুগঞ্জকে করেছে নিজস্ব স্বকীয়তায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।সবুজ অরণ্যের অপূর্ব মিতালীর এক মনোরম পরিবেশের অঞ্চল এটি। সমতলভুমি, নৈসর্গিক এক নান্দনিক পরিবেশের কারণে মুলাদী-বাবুগঞ্জকে করেছে এক অনন্য বৈচিত্র্যের অধিকারী। শৌর্যে-বীর্যে, রূপ-লাবণ্যে মুলাদী-বাবুগঞ্জ নিজস্ব পরিমলে আবদ্ধ না থেকে বিস্তৃতি লাভ করেছে বহুদূর পর্যন্ত।মুলাদী-বাবুগঞ্জের বর্তমান হালচাল অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন নতুন সোনালী অধ্যায়ের জন্ম দিচ্ছে।অসংখ্য নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনার সৃষ্টি হচ্ছে। এসবই মুলাদী-বাবুগঞ্জের আপামর জনসাধারণের ভাগ্যন্নোয়নে টনিকের মত কাজ করছে।বর্তমানে মুলাদী-বাবুগঞ্জের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে অহরহ উন্নয়নের ছোঁয়া দৃশ্যমান।যত্রতত্র চোখে পড়বে উন্নয়ন শুধুই উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি।সুখ ও সমৃদ্ধির পথে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে মুলাদী-বাবুগঞ্জের পরিকল্পনা মাফিক পথচলা ভবিষ্যৎ কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে।উন্নয়নে মসৃণ অগ্রযাত্রায় একের পর এক স্বর্ণের পালক যোগ হচ্ছে মুলাদী-বাবুগঞ্জের ইতিহাস-ঐতিহ্যে।মুলাদী-বাবুগঞ্জের এমন কোন জায়গা পাবেন না যেখানে চলমান উন্নয়নের সোনালী পরশের স্পর্শ লাগেনি।যে দিকে চোখের দৃষ্টি যাবে সেই দিকে শুধুই চোখে পড়বে দৃষ্টিনন্দন ইত্যাদিসব উন্নয়ন কর্মকান্ড।যার কারণে মুলাদী-বাবুগঞ্জের উন্নয়নের কথামালা সীমানা ছাড়িয়ে লোকের মুখে মুখে।কারণ মুলাদী-বাবুগঞ্জের অভূতপূর্ব উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় সাফল্য লুটিয়ে পড়েছে মানুষের দোর গোড়ায়।এহেন উন্নয়ন সাফল্যে মুলাদী-বাবুগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ ছাড়া ও তৎসংলগ্ন আশে-পাশের অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে সমসুরে উচ্চারিত হচ্ছে উন্নয়নের জয়ের ধ্বনি। মুলাদী-বাবুগঞ্জের আত্ম-সামাজিক উন্নয়নে এবং সর্বস্তরের গণমানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অনেক চড়া-উৎরাই পেরিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে বর্তমান সাংসদ জননেতা এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতান কে।তিনি অত্যান্ত বিচক্ষণতার সাথে মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একের পর এক সফল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডগুলো চালিয়ে যাচ্ছেন ধারাবাহিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে।মুলাদী-বাবুগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে সমস্যা আছে সেখানে ছুটে যাচ্ছেন সমাধানের যথাযথ উপায় নিয়ে। বর্তমান সাংসদের এমন কর্মকান্ড, মন-মানসিকতা সবই জয় করে নিয়েছে মুলাদী-বাবুগঞ্জ বসবাসরত সর্বশ্রেণীর মানুষদের।মুলাদী-বাবুগঞ্জের জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করা বর্তমান সাংসদ জননেতা এ্যাডঃ শেখ টিপু সুলতানের ধ্যান-জ্ঞানে পরিণত হয়েছে।তিনি মুলাদী-বাবুগঞ্জের উন্নয়ন ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না।তাইতো তিনি সার্বক্ষণিকভাবে মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষদের সাথে নিয়ে নিজ আবাসভূমিতে পড়ে রয়েছেন।মুলাদী-বাবুগঞ্জের সব শ্রেণির মানুষের গড় আয় বেড়েছে।নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষদের নিরাপত্তা বেড়েছে।শিক্ষা-দীক্ষায় অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।নতুন নতুন স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।উচ্চ শিক্ষা অর্জন করা এখন মানুষের হাতের নাগালে।তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সহজ লভ্যতার দরুন ইন্টারনেট এখন মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষের হাতে হাতে। মাননীয় সাংসদ মুলাদী-বাবুগঞ্জে একটি আইটি সেন্টার গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখেন যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তথ্য-প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা এবং উন্নত বহিঃবিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখবে। মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং টেকশই শরীর গঠনে নিয়মিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়া ও মুলাদী-বাবুগঞ্জের আনাচে-কানাচে বেশকিছু কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে এক অনন্য দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন।এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি মা ও শিশু স্বাস্থ্যের নিদারুন উন্নতি হচ্ছে।বলতে গেলে মুলাদী-বাবুগঞ্জের প্রত্যেকটি ভাল কাজের সাথে এম,পি মহোদয়ের আত্মার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।তিনি যে শুধু মুলাদী-বাবুগঞ্জের গণমানুষের কল্যাণে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন তা নয়; পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে সকল ধর্মের মর্মবাণী নিয়ে কাজ করছেন প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের জন্য সাংসদের অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন।মুলাদী-বাবুগঞ্জের মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরে আন্তরিকতার সাথে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।আবার অনেক মসজিদে তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাইকের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।এছাড়া মসজিদের উন্নয়নের জন্য সরকারী বরাদ্ধের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান দিয়ে মসজিদ এবং মাদ্রাসার খেদমত করে যাচ্ছেন।এছাড়া মসজিদের ইমাম,পুরোহিতদের সম্মানিভাতা, বর্ষাকালীন ছাতাসহ বিভিন্ন উপায়ে সম্মানিত করে নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসব ধর্মীয় কর্মকান্ড-গুলো তিনি অত্যন্ত গোপনে সম্পাদন করেছেন।মুলাদী-বাবুগঞ্জের এই অভাবনীয় উন্নতি ও পরিবর্তনে জনগণ ভীষণ খুশিতে আত্মহারা।মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষেরাও নিজেদের গর্বিত মনে করছেন।অতীতের মুলাদী-বাবুগঞ্জ এবং বর্তমান মুলাদী-বাবুগঞ্জের মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য বিরাজমান।মুলাদী-বাবুগঞ্জের পারিপার্শ্বিক অবস্থানের কারণে যত্রতত্র উন্নয়নের সুবাতাসে এক স্বপ্নপুরীর পরিবেশ আমরা প্রত্যক্ষ করছি।মুলাদী-বাবুগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের আশা আগামীতেও মুলাদী-বাবুগঞ্জের ধারাবাহিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।নতুন নতুন উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নসারথীর মানুষদের সামনে হাজির হবেন এবং মুলাদী-বাবুগঞ্জের মানুষেরা অশেষ লাভবান হবেন।

দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার মত মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না।কাজের মধ্য দিয়ে মানুষ নিজেকে অমরত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষ যদি সমাজের জন্য কিছু অবদান রাখে তবে সে সমাজ কখনো পিছিয়ে থাকতে পারে না ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ অভাবনীয় গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে এবং এফটিআই, ইউএসএইড এবং এডিবিসহ বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা আগামীর বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির হিরন্ময় সম্ভাবনার দেশ হিসেবে আভাস দিচ্ছে ।কাজের মধ্য দিয়ে আমরা প্রমাণ করে যাব, আমরা পারি।আসুন আমরা সকলে মিলে আমাদের মুলাদী-বাবুগঞ্জকে আমাদের মত করে গড়ে তুলি।

LEAVE A REPLY