মুলাদীতে ১৩ বছরের নুরজাহান হত্যার বিচার চেয়ে মানুষের ধারে ধারে পিতা নজরুল ইসলাম

Share to Social network.
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদী সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দড়িচরলক্ষীপুর গ্রামের বেল্লাল সরদার
ও তার পরিবার বর্গ নুরজাহান (১৩) হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ
সূত্রে জানা যায় গত ৬ এপ্রিল একই গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম এর কন্যা
নুরজাহান(১৩) কে বেল্লাল সরদারের বাড়ীতে কাজের জন্য দেয়। প্রায় ৪ মাস পর
তার পিতা নজরুল ইসলাম মেয়ের সংবাদ চাইলে বেল্লাল সরদার এর স্ত্রী জেসমিন
আক্তার বলে মেয়ে হারিয়ে গেছে। নজরুল ইসলাম মেয়ের জন্য আসলে সে জানতে পারে
যে তার মেয়ে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। নজরুল ইসলাম গরীব বলে কেউ
তাকে সহযোগিতার হাত বারিয়ে দেয়নি।
মুলাদী উপজেলা সকল সাংবাদিক সংগঠনের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পরে গতকাল ১৪
জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় এশিয়া টিভি প্রতিনিধি সহ সাংবাদিক দড়িচর
লক্ষীপুর গ্রামে বেল্লাল সরদারের বাড়ীতে গেলে বেল্লাল সরদার স্ত্রী
জেসমিন আক্তার সাংবাদিকদের বলেন গত ৬ এপ্রিল নুরজাহান মারা গেছে, তখন
করোনা সময় করোনার কারণেই নুরজাহানের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর আমি, আমার
স্বামী ও রহিমা বেগম ৩জন মিলে জানাযা করে মাটি দেই। কবরের কাছে গেলে দেখা
যায় করুন অবস্থা একটি ঘরের কোনের মধ্যে নুরজাহানকে চাপা মাটি দেওয়া
হয়েছে। গত ১৩ জুলাই রাতে কাঠের পুল নামক স্থানে বেল্লাল সরদার কয়েকজন লোক
নিয়ে কাজিরচর ইউনিয়নের খাসের হাট বাজারের মৃত আঃ গফুর পালোয়ানের পুত্র
রিয়াজ পালোয়ান নুরজাহান হত্যার কথা মানুষের কাছে বলছে তার জন্য তাকে
হত্যার উদ্যেশে পথরোধ করে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে বেল্লাল সরদার ও
লোকজন পালিয়ে যায় বলে সাংবাদিকদের জানান রিয়াজ পালোয়ান। মুলাদী ইউনিয়নের
৯নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ খন্দকারকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকী
দিয়েছে বেল্লাল সরদার বলে জানান গ্রাম পুলিশ।
বেল্লাল সরদারের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সাংবাদিকদের বলেন নুরজাহান এর
মৃত্যুর আধা ঘন্টা পরে আমি, আমার স্বামী বেল্লাল সরদার রহিমা তিনজন মিলে
জানাযা করে তাকে মাটি দেই। করোনার কারণে আমরা কাউকে বলিনি কেউ জানতে
পারলে লক ডাউন হবে আমাদের বাড়ী ভয়ে।
কয়েক বার বেল্লাল সরদারের সাথে মোটু ফোনে যোগাযোগ করলে বেল্লাল সরদার
মোবাইল রিসিভ না করে তার স্ত্রী জেসমিনকে দিয়ে কথা বলান। এ বিষয়ে মুলাদী
সার্কেল এ এস পি মোঃ আনিসুল করিম মহোদয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন
আমরা অভিযোগ পেয়ে আদালতে পাঠিয়েছি, আদালত আমাদের নির্দেশ দিলে আমরা কবর
থেকে লাশ উঠিয়ে ময়না তদন্ত শেষে বলতে পারবো যে নুরজাহান করোনায় মৃত্যুবরন
করেছে না হত্যা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *